স্বস্তি ফিরেনি পেয়াজের বাজারে!

  • ২৯-Nov-২০১৯ ১২:৩৬ অপরাহ্ন
Ads

:: রেজওয়ান ইসলাম, জবি প্রতিনিধি ::

মিশর, পাকিস্তান থেকে কয়েকদফা পেয়াজ আমদানি করা হলেও এখনো পেজায়ের বাজারে স্বস্তি ফিরছে না। খুচরা বাজারের পেয়াজ এখনো সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরেই বিক্রি হচ্ছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে আমদানি না হওয়াই এখনো দাম না কমার কারণ বলে দাবী করছেন আড়তদাররা।

রাজধানীর সবচেয়ে বড় পেয়াজের বাজার পুরান ঢাকার শ্যামবাজারে আজ (২৯ নভেম্বর) সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সেখানে পাইকারীভাবে পাকিস্তানি পেয়াজ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা, বার্মার পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৭০ টাকা, চায়না পেয়াজ কেজি প্রতি ১০০-১১০ টাকা, আর বাংলাদেশী পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৮০ টাকা করে। আর এখান থেকে কিনে নিয়ে খুচরা ব্যাবসায়ীরা প্রায় ২০-৩০ টাকা লাভে প্রতি কেজি পেয়াজ বিক্রি করছে। ফলে সাধারণ মানুষের পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি এবং আকাশ্চুম্বী দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে পেয়াজ।  

পেয়াজে দাম নিয়ে কথা হয় মুকছিত ট্রেডিং এর নাদিম হোসেন এর সাথে তিনি জানান, চাহিদা অনুযায়ী এখনো পেয়াজের আমদানী হচ্ছে না, ফলে এখনো সহনশীল হচ্ছে না পেয়াজের বাজার। পেয়াজের দাম বাড়ার জন্য ভারতীয় পেয়াজ আমদানী বন্ধ হওয়াই মূল কারণ, এর পিছে সিন্ডিকেটের কোন হাত নেই বলে জানান তিনি। তিনি আরও জানান বৃষ্টির কারণে দেশী পেয়াজের পর্যাপ্ত ফলন না হওয়াও পেয়াজের বাজারের এমন অবস্থার জন্য দায়ী।

কবে নাগাদ দাম কমতে পারে এ ব্যাপারে কথা হচ্ছিল আরেক আড়তদার জাহাঙ্গীর আলমের সাথে তিনি বলেন, আমদানী পর্যাপ্ত পরিমাণে বাড়ানো হলে আরো প্রায় ১৫-২০ দিনের মত সময় লাগবে পেয়াজের বাজার ঠান্ডা হতে।

এদিকে আড়তদারেরা অভিযোগ করেন ক্ষতি যা হউয়ার তা হচ্ছে শুধু আড়ত মালিকদের আর সাধারণ জনগণের, এর মাঝ দিয়ে লাভবান হচ্ছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। তারা আমাদের থেকে পেয়াজ নিয়ে প্রতি কেজিতে প্রায় ২০-৩০ বা এর থেকেও বেশি লাভে বিক্রি করছেন, কিন্তু এদিকে আমারা পেয়াজ বিক্রি করে আড়তের খরচ টা পর্যন্ত উঠাতে পারছিনা।

পুরান ঢাকার এক গৃহিণী বলেন, পেয়াজের দাম যেভাবে আছে এমন থাকলে তো পেয়াজ খাওয়া আমাদের মত মধ্যবিত্তদের জন্য এক প্রকার বিলাসিতাই বলা চলে। পেয়াজের বাজার আর কবে সহনশীল হবে এ নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

Ads
Ads