আমবয়ানের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ইজতেমা শুরু

  • ১০-জানুয়ারী-২০২০ ০৫:২১ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে শুরু হয়েছে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমা। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) ফজরের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমা শুরু হয়েছে। আলেমি শুরার তত্ত্বাবধানে আয়োজিত প্রথম পর্বে যোগ দিতে এরই মধ্যে দেশ-বিদেশের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে জড়ো হতে শুরু করেছেন।

আগামী রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথম পর্বের ইজতেমা। আগামী ১৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে ও রাতে বিশ্ব ইজতেমায় বার্ধক্যজনিত কারণে তিন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।

বিশ্বের ৩৫টি দেশের দুই হাজার বিদেশি মুসল্লি ময়দানে উপস্থিত হয়েছেন। এছাড়া অন্যান্য দেশের মুসল্লিরা আসার পথে রয়েছেন। মুসল্লিদের উদ্দেশে শুক্রবার বাদ ফজর বয়ান করবেন পাকিস্তানের মাওলানা ওবায়দুল্লাহ খূরশেদ। জোহরের নামাজ পড়াবেন বাংলাদেশের মুরব্বি মাওলানা যোবায়ের হাসান। এরপর বাদ জোহর বয়ান করবেন ফান্সের মাওলানা শেখ ইউনুস, বাদ আসর মাওলানা এহসান, বাদ মাগরিব বয়ান করবেন ভারতের মাওলানা আহম্মদ লাট।

বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে টঙ্গীতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুরো এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রায় ১০ হাজার সদস্য। ইজতেমা প্রাঙ্গণের প্রতিটি প্রবেশপথে মুসল্লিদের দেহ তল্লাশি করে ভেতরে ঢোকানো হচ্ছে। আগত মুসল্লিদের সেবা দিতে প্রস্তুত রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠন।

র‌্যাবের মুখপ্রাত্র লে. কর্নেল সরওয়ার-বিন-কাশেম জানান, প্রতি বছরের ন্যায় বাড়তি পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন মাঠের ভেতর ও বাইরে বিভক্ত হয়ে কাজ করবে। র‌্যাবের দুটি হেলিকপ্টার ইজতেমা মাঠের আকাশে টহল দেবে। র‌্যাবের পক্ষ থেকে ১০টি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। নজরদারির জন্য মাঠের চারদিকে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, এ বছর ইজতেমায় আগের চেয়ে বেশিসংখ্যক মুসল্লি যোগ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ কারণে এবার খেত্তার সংখ্যা বাড়িয়ে ৯১টি করা হয়েছে। তুরাগ নদের পশ্চিম পারে অতিরিক্ত তিন একর জমিতে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। ইজতেমার মুসল্লিদের সেবা দিতে এবার বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে।

সার্বক্ষণিক বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহের জন্য ১৭টি গভীর নলকূপ থেকে রাত-দিন পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। অসুস্থদের চিকিৎসাসেবা দিতে গাজীপুর সিটি করপোরেশন, গাজীপুর সিভিল সার্জন, টঙ্গী শহীদ আহসানউল্লাহ জেনারেল হাসপাতাল, হামর্দদ ল্যাবরেটরিজ, ইবনে সিনা ফর্মাসিউটিক্যালসসহ অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান ফ্রি চিকিৎসাকেন্দ্র চালু করেছে।

Ads
Ads