নরসিংদী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিমনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে কারা!

  • ৫-ফেব্রুয়ারী-২০২০ ১২:৩৮ অপরাহ্ন
Ads

সিনিয়র প্রতিবেদক

নরসিংদী জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমে দীর্ঘ ৫ বছর ধরে স্থবিরতার অভিযোগ এনেছে একটি মহল। সেই মহলটি আবার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসানুল ইসলাম রিমনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রেও লিপ্ত রয়েছে।  প্রায় পাচঁ বছরেও জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় কারণে সংগঠনটিতে গতিশীলতা নেই বলে রিমনকে একপাক্ষিকভাবে দায়ী করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে জেলা যুবলীগের একজন শীর্ষ নেতা, যিনি জেলা ছাত্রলীগেরও শীর্ষ পদে ছিলেন। 

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসানুল ইসলাম রিমনের বিরুদ্ধে সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ তুলেছে জেলা কমিটির অন্তুর্ভুক্ত ১০ টি শাখা কমিটি। এ বিষয়ে গত ১০ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছে তারা। এমন একটি মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে আহসানুল ইসলাম রিমনের বিরুদ্ধে। 

তবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, নরসিংদী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের আহসানুল ইসলাম রিমনের বিরুদ্ধে কোনো ধরণের লিখিত অভিযোগ জমা পরেনি। এমনকি, স্থানীয় গণমাধ্যমকেও ব্যবহার করা হচ্ছে এসব মিথ্যা ষড়যন্ত্র প্রচার করার জন্য। 

১০ টি ইউনিটের নেতাকর্মীরা আগামীকাল বৃহস্পতিবার আহসানুল ইসলাম রিমনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করবেন বলেও জানা গেছে। মূলত, জেলা যুবলীগের একজন শীর্ষ নেতার ইশারাতেই জেলা ছাত্রলীগ পরিচালিত হবে-এমন কাজে বাধা দেয়ার কারণেই বারবার রিমনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়। এর আগেও নরসিংদী জেলা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসহাক খলিল বাবুকে দিয়ে যুবলীগের সেই নেতা কমিটি ভাঙার ষড়যন্ত্র করেছিলন। ফলে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় ইসহাক খলিল বাবুকেই সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। 

পরে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসিবুল আলম মিন্টু। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি মিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক রিমনের বৈরিতার কারণে স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে পারেনি ছাত্রলীগ। সেখানেও মিন্টুকে বাগিয়ে নিয়ে ছাত্রলীগকে নিজদের মতো কাজ করতে দিচ্ছেন না যুবলীগের সেই নেতা। মিন্টু এবং রিমন মিলে জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রস্তুত করে কেন্দ্রে জমাও দিয়েছেন। যেকোনো সময় সেটি প্রকাশ করার জন্য অনুমোদন দিবেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টচার্য। 

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসানুল ইসলাম রিমন ছাত্রলীগের স্থবিরতার কথা স্বীকার করে বলেন, জেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব কে দূর্বল করতে ষড়যন্ত্র করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে বাধা সৃষ্টি করে রাখা হয়েছে। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতির বৈরিভাবের কারণে জেলার পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা যাচ্ছে না। এজন্য সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এছাড়া সম্মেলনে প্রার্থীদের নিকট থেকে আমার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।

জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসিবুল আলম মিন্টু বলেন, সংগঠনের সংকটময় পরিস্থিতিতে আমি ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছি। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে জেলা ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া সাধারণ সম্পাদকের সাথে আমার কোন বিরোধ নেই।

Here ...

Ads
Ads