বইমেলায় বই পড়তে আগ্রহী শিশুরা, শিশু চত্বর স্টেজে চলছে গাড়ি সিসিমপুরে

  • ১৬-ফেব্রুয়ারী-২০২০ ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: আরিফুর রহমান ::

শুরুতেই আয়োজক বাংলা একাডেমি ঘোষণা দিয়েছে, সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোর সকালটা থাকবে শিশুদের জন্য একান্ত। গতকাল শনিবার সকাল ১১টা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত উন্মুক্ত ছিল মেলা। ৫-৬ জন শিক্ষকের সঙ্গে বই মেলায় এসেছে প্রায় ৫০-৬০ শিক্ষার্থী। শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে তারা বইমেলার বিভিন্ন স্টলে ঘুরছে। কেউ খেলাধুলা করছে সিসিমপুরের স্টলে।

শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তারা গোলাপবাগের জন ইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল থেকে এসেছে। হেডমাস্টারের নির্দেশে শিশুদের বইয়ের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টির জন্যই আমরা নিজ উদ্যোগে তাদের বইমেলায় নিয়ে এসেছি। জাহাঙ্গীর হোসেন নামে স্কুলের এক শিক্ষক ভোরের পাতাকে বলেন, ‘একাধারে টেক্সবুক পড়তে পড়তে শিশুদের বইয়ের প্রতি অনীহা সৃষ্টি হয়ে যায়। তাই হেডমাস্টারের পরামর্শে আমরা তাদের গ্রুপ করে বইমেলায় নিয়ে আসি। শিশুরা পছন্দমতো ঘুরে, বই কেনে।

সকালে অমর একুশের বইমেলা শিশু প্রহরে গিয়ে দেখা যায়, ছোট্ট ছোট্ট শিশুরা বাবা-মায়ের সঙ্গে বই কিনছে। শিশু চত্বরের স্টেজে ‘চলছে গাড়ি সিসিমপুরে’ গানে আপন মনে নাচতে দেখা যায় শিশুদের। মেলার শিশু চত্বরে শিশুদের জন্য বিনোদনের পাশাপাশি ছিল ৩০টি স্টলে হরেকরকমের বই। বই পড়ার জন্য চত্বরে আলাদা জায়গা রয়েছে। এবারে প্রথম বইমেলায় এসেছে হলি মেরিস টিউটোরিয়াল স্কুলের কেজি ওয়ানের শিক্ষার্থী রাহাত আরা জান্নাত। মেলায় আসার অনুভূতি জানতে চাইলে সে বলে, খুব মজা লাগছে, বই কিনেছি, আবারও মেলায় আসতে চাই।

গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বইমেলার উদ্বোধন করেন। বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় ৮ লাখ বর্গফুট জায়গায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের বইমেলা। এবার পুরো মেলা প্রাঙ্গণে মুজিববর্ষ উদযাপনের ছোঁয়া লেগেছে। নান্দনিকভাবে সাজানো হয়েছে মেলা প্রাঙ্গণ।

এবারের বইমেলায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১২৬টি প্রতিষ্ঠানকে ১৭৯টি স্টল ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৯৪টি স্টলসহ মোট ৫৬০টি প্রতিষ্ঠানকে ৮৭৩টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলা একাডেমিসহ ৩৩টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ৩৪টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। লিটল ম্যাগাজিন চত্বর স্থানান্তরিত হয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে। ১৫২টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ ছাড়াও ছয়টি উন্মুক্ত স্টল রাখা হয়েছে।

শিশুতোষ বই নিয়ে বিরক্ত : গ্রন্থমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে শিশু চত্বর। সেখানেই দেখা হলো আগারগাঁও থেকে আগত তানসেন ইমতিয়াজের সঙ্গে। তার হাতে অনেকগুলো বইয়ের ব্যাগ। সে জানালো, বই কিনেছে দৈত্য-দানব, রাক্ষস-খোক্ষসের। সন্তানের বইয়ের পছন্দ নিয়ে যারপরনাই বিরক্ত তার বাবা রাতুল আহসান। তিনি বললেন, বাচ্চাদের জন্য ভালো কোনো বই নেই। এসব বই পড়ে ও কী শিখবে? রাতুল আহসানের মতো শিশুতোষ বই নিয়ে বিরক্ত প্রায় সব অভিভাবকই।

শনিবার মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেল, অবাস্তব সব ঘটনা দিয়ে সাজানো শিশুদের বই। তবে এরও মাঝে কোথাও কোথাও মিলছে শিশুদের উপযোগী বই। সে সঙ্গে জনপ্রিয় লেখকরাও কলম ধরেছেন শিশুদের জন্য। শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি মেলার শিশু চত্বরসহ পুরো মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেল, বাহারি সব বই দিয়ে সাজানো শিশু চত্বর। তবে সেসব বইয়ের তালিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।ধানমন্ডি থেকে ছেলে আয়াতকে সঙ্গে নিয়ে আসা মহিউদ্দীন আলমগীর এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘শিশুদের বই নিয়ে আমি যারপরনাই বিরক্ত। কোনো বই-ই ওদের উপযোগী করে লেখা হয় না। সেজন্যই ওর ওয়ার্ড মিনিং আর ছড়ার বই কিনে দিয়েছি’। ইমদাদুল হক মিলনের শিশুতোষ সিরিজ ‘বাবান’ প্রকাশ করেছে অনন্যা। সিরিজের তিনটি বই- ‘বাবান ও টুনটুনি পাখি’, ‘বাবান ও তার বিড়ালছানা’ এবং ‘বাবান ও দশটি কাক’। প্রতিটি বইয়ের মূল্য ১৩৫।

এ বিষয়ে ইমদাদুল হক মিলন এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমি শিশুদের জন্য লিখতে পছন্দ করি। কারণ, ওরা খুব মনোযোগী পাঠক। আর অনেক অভিভাবক এসে বলেন, তারা আমার বই পড়েছেন, তার সন্তানরাও পড়ছেন। এ বিষয়টি উপভোগ করি। কারণ, আমি দুই প্রজন্মকে আমার বই পড়াতে পেরেছি’। জনপ্রিয় লেখকদের লেখা মেলায় আসা শিশুদের বইগুলোর মধ্যে রয়েছে মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘ছোট একটা নেংটি ইঁদুর’ (অনুপম প্রকাশনী), ‘মিতু তিতুর সাবমেরিন’ (বিদ্যাপ্রকাশ) ও ‘যে রকম টুনাটুনি সে রকম ছোটাচ্চু’ (পার্ল পাবলিকেশন্স)। আনিসুল হকের কমিকস ‘গুড্ডুবুড়া’ প্রকাশ করেছে কথা প্রকাশ। তার গল্প ‘ডাকাতের কবলে গুড্ডুবুড়া’ এসেছে প্রথমায়। প্রথমা থেকে আরও আসার কথা রয়েছে ‘গুড্ডুবুড়া যেভাবে ঢাকাকে বাঁচিয়েছিল’।

এর পাশাপাশি হায়াৎ মামুদের ‘যাদুকরের ভেঁপু’ (অবসর), আনোয়ারা সৈয়দ হক ‘ছানার নানাবাড়ি’ (ঐতিহ্য), ধ্রুব এষের ‘অং বং চং’ (ইকরি মিকরি) ও ‘তনু ও ছয় দফার খাতা’ (সময় প্রকাশন), আলম তালুকদারের ‘রূপকথার আজবকথা’ (পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স), জাহীদ রেজা নূর অনূদিত রূপকথা ‘ফিনল্যারে রূপকথা’ (শিশু গ্রন্থ কুটির), মাজেদুল নয়নের কিশোর উপন্যাস ‘হাউজ টিউটর’ (পুঁথিনিলয়)।

শিশুতোষ বইয়ের বেহাল দশা নিয়ে অন্যপ্রকাশের স্বত্বাধিকারী মাজহারুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘শিশুতোষ বইয়ের প্রধান সমস্যা হলো ভালো পা-ুলিপির অভাব। সে সঙ্গে সম্পাদনার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। বাচ্চাদের বই যদি সুসম্পাদিত না হয় তাহলে সেগুলো কোনো কাজে আসে না’।

উৎস প্রকাশনীর প্রকাশক মোস্তফা সেলিম বলেন, শিশুদের বইটি হতে হবে সবচেয়ে সুসম্পাদিত। তাদের কচিমনের বিকাশে বইয়ের শব্দচয়নসহ বিষয়ের প্রতি নজর রাখতে হবে। কিন্তু মেলায় আসা বেশিরভাগ শিশুতোষ গ্রন্থে সম্পাদনার কোনো বালাই নেই। তাই শিশু চত্বরের বেশিরভাগ স্টলে প্রচুর বই বিক্রি হলেও শিশুতোষ গ্রন্থ হিসেবে সেগুলো নিম্নমানের।

মানহীন শিশুতোষ বইয়ের বিষয়ে মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ বলেন, এ ধরনের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করতে টাস্কফোর্স মেলা পরিদর্শন করবে। অভিযোগ পেলে আগামীতে তাদের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হবে না।

আবু নাছের টিপুর উপন্যাস ‘পাললিক মন’ :  বইটি প্রকাশ করেছে অন্বেষা প্রকাশন। প্রচ্ছদ করেছেন ধ্রুব এষ। বইমেলার ৩৩ নম্বর প্যাভিলিয়নে পাওয়া যাচ্ছে বইটি। বইটি সম্পর্কে লেখক বলেন, ‘অনিবার্য গন্তব্য যখন হয়ে ওঠে পথনকশা; তখনো প্রেমের ধ্রুপদী সুর ভজে পরিযায়ি মন। আর এসব নিয়ে বিস্তৃত থই থই জলরাশির মাঝে ছোট্ট একখ- মায়াময় দ্বীপ ‘পাললিক মন’।’ আবু নাছের টিপু একজন সরকারি কর্মকর্তা। বিসিএস তথ্য ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের একজন। বর্তমানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা। নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার গ্রাম মইজদীপুরের সন্তান তিনি। টিপু ছাত্রজীবন থেকেই লিখছেন। পেয়েছেন জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার। ঔপন্যাসিকই তার একমাত্র পরিচয় নয়। ভ্রমণকাহিনিতেও জয় করেছেন পাঠকমন। গবেষণাধর্মীসহ প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা ডজনখানেক। ‘পাললিক মন’ লেখকের দ্বিতীয় উপন্যাস। গত বছর প্রকাশিত হয়েছিল ‘বেলা অবেলা’। উপন্যাসটি ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে। এর মধ্যেও কিন্তু ভালো বই যে হচ্ছে না তা কিন্তু নয়, হচ্ছে। পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স, চন্দ্রাবতী একাডেমি ও ময়ূরপঙ্খি থেকে ভালো শিশুতোষ বই প্রকাশ পাচ্ছে।’

নতুন বই : বাংলা একাডেমির জনসংযোগ উপবিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শনিবার মেলায় নতুন বই এসেছে ২০৩টি।

মূলমঞ্চের আয়োজন :বিকাল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় শাহ্জাহান কিবরিয়া রচিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আনজীর লিটন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন হরিশংকর জলদাস এবং খালিদ মারুফ। লেখকের বক্তব্য প্রদান করেন শাহ্জাহান কিবরিয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ।

আলোচকরা বলেন, শহীদ মিনার থেকে স্মৃতিসৌধ। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১। বাঙালি জাতি শিক্ষা নিয়েছে প্রতিবাদে-প্রতিরোধে জেগে উঠবার। এ চেতনার উৎস আমাদের মাতৃভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি। বাঙালির সংগ্রামমুখর ইতিহাসের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় আমরা পেয়েছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। আমাদের নিরন্তর পথচলার তিনিই প্রদর্শক, শক্তি ও উদ্দীপনার উৎস। সংগ্রামমুখর জীবনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশকেই গড়ে তোলেননি, বিশ্বরাজনীতিতে বাংলা ও বাঙালিকে নিয়ে গেছেন উচ্চতর আসনে। দেশের নেতা হয়ে উঠেছেন বিশ্বের নেতা। সমগ্র জীবন তিনি উৎসর্গ করেছেন বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রামে।

আলোচকরা আরও বলেন, অত্যন্ত সফলভাবে সংক্ষিপ্ত কলেবরে বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনকে তুলে ধরা হয়েছে শাহ্জাহান কিবরিয়া রচিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু গ্রন্থে। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর উত্তাল সংগ্রামী জীবনের সঙ্গে লেখক নিজেও যেন সম্পৃক্ত থেকে একের পর এক ঘটনাক্রম বর্ণনা করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী চিন্তার অভীষ্ট লক্ষ্য ছিল সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থায় বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার নিগূঢ় ভেঙে মুক্ত করা। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নিরন্তর গবেষণার মাধ্যমেই তাকে আমরা সত্যিকারভাবে জানতে পারবো এবং বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু এবং স্বপ্নের সোনার বাংলার প্রতি আমাদের ভালোবাসা চিরকাল অটুট থাকবে। 

গ্রন্থের লেখক বলেন, বঙ্গবন্ধু কেবল সফল রাজনৈতিক নেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন মানবিক নেতা। দেশের মানুষের প্রতি তিনি গভীর আস্থা রেখেছিলেন এবং বাঙালি জাতিকে বীরের জাতিতে রূপান্তরিত করেছিলেন। মহান এ নেতা আজ বাঙালি জাতির বাতিঘরের মতো; যে বাতিঘর জাতিকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ দেখাবে। 

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ বলেন, শাহ্জাহান কিবরিয়া রচিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু গ্রন্থে লেখক বঙ্গবন্ধুর জীবনের মূল দিকগুলো ধারাবাহিকভাবে উন্মোচন করেছেন। লেখক দেখিয়েছেন কীভাবে তিনি বাঙালি জাতিকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র উপহার দিলেন এবং হয়ে উঠলেন হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক পাঠ হয়েছিল দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। জনগণের অধিকার আদায়ে অগ্রণী ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন সংগ্রামী জননায়ক ও রাষ্ট্রনায়ক। 

আজকের মেলা : অমর একুশে গ্রন্থমেলার ১৫তম দিন আজ রোববার । মেলা চলবে বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। 

বিকাল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে পিয়াস মজিদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু ও বাংলা একাডেমি শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন শাহিদা খাতুন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন শিহাব সরকার এবং ইসরাইল খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। সন্ধ্যায় রয়েছে কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ, আবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

Ads
Ads