একুশে পদকের বানান সংশোধনের চিন্তা, তদন্ত কমিটি গঠন

  • ২৫-ফেব্রুয়ারী-২০২০ ১২:২০ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

একুশে পদক কিভাবে ভুল বানানে তৈরি হলো তা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। কমিটি যদি পদকের বানানের ভুলকে গুরুতর বিষয় হিসেবে অভিহিত করে সে ক্ষেত্রে পদক প্রাপ্তদের কাছ থেকে পদক সংগ্রহ করে সেগুলো সঠিক বানানে লিখে ফেরত দেওয়া হবে।

আজ মঙ্গলবার  তদন্ত কমিটি গঠন সংক্রান্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। তিনি বলেন, একুশে পদকের বানানে কেন এমন হলো তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি প্রতিবেদন দিলে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। 

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কমিটি পদকপ্রাপ্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পদক দেখে তাদের সুপারিশ করবে। প্রয়োজন হলে হস্তান্তর করা পদকগুলোর বানান শুদ্ধ করে সংশ্লিষ্টদের ফেরত দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (সংসদ ও আইন)  শওকত আলীকে প্রধান করে গঠিত কমিটিতে সদস্য রাখা হয়েছে প্রশাসন-২ এর যুগ্মসচিব হাসনা জাহান খানম এবং সাংস্কৃতিক চুক্তি শাখার সিনিয়র সহকারি সচিব জেসমিন নাহারকে। এই কমিটির দেওয়া প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন ও পরিকল্পনা) আব্দুল মান্নান ইলিয়াস কালের কণ্ঠকে বলেন, আজ  মাত্র কমিটির নাম মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এবার কমিটির কার্যপরিধি ও কতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে এসব বিষয় চুড়ান্ত করে অফিস আদেশ জারি করা হবে।

গত সোমবার ‘ভুল ও জোড়াতালির বানানে একুশে পদক!’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এতে একুশে পদকের স্বর্ণখচিত অংশে দুইটি বানানের ভুলের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করলো সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেন যে, বঙ্গাব্দ শব্দে আকার বাদ পড়া গুরুতর ভুল। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ তাই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

তিনি আরো জানান, খ্রিষ্টাব্দ শব্দটিও ভুল হয়েছে। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে খ্রিষ্টাব্দ শব্দটি স+ট দিয়ে লেখা ছিল। তাই তারাও এই বানানে লিখেছিলেন। 

অন্যদিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, চিঠিপত্রে বানান কিভাবে যাচ্ছে সেটা দিয়ে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদকের বানান অনুসরণ করা ঠিক নয়। চিঠিতে শত শত শব্দ থাকে সেখানে ভুল-ভ্রান্তি থাকতেই পারে। কিন্তু পদকে দু-একটি শব্দ ব্যবহার হয় সেখানে যথাযথ কর্তৃপক্ষ দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে বানান নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়েরই দায়িত্ব।

Ads
Ads