শরীয়তপুরে সময়মতো পাসপোর্ট পাচ্ছেনা, প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে গ্রাহকরা

  • ২৫-ফেব্রুয়ারী-২০২০ ০৪:২৮ অপরাহ্ন
Ads

:: শরীয়তপুর ব্যুরো ::

শরীয়তপুরে আবেদন করেও সময়মতো পাসপোর্ট  পাচ্ছেনা, প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পরতে হচ্ছে গ্রাহকদের। পাসপোর্ট অফিস থেকে দেওয়া বিতরনের তারিখে এসেও পাচ্ছেনা পাসপোর্ট, ঘুরতে হচ্ছে মাসের পর মাস। আর এইকারনে অনেক প্রবাসীকে পরিবর্তন করতে হচ্ছে ফ্লাইটের তারিখ। 

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচতলায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট প্রাপ্তির অপেক্ষায় রয়েছে অসংখ্য মানুষের ভিড়।  পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে কার্যালয়ের বিতরণকক্ষের সামনে অপেক্ষা করছেন তাঁরা। কেউ কেউ এসেছেন কয়েক দফায়। সমস্যার কথা জানতে কেউ কেউ ছোটেন কার্যালয়ের এ–কক্ষ থেকে ও–কক্ষে।

সাধারণত দুই ধরনের পাসপোর্টের জন্য মানুষ বেশি আবেদন করেন। এগুলো হলো নরমাল বা সাধারণ ও ইমারজেন্সি বা জরুরি। এর মধ্যে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন ফি ৩ হাজার ৪৫০ টাকা, সরবরাহ করার কথা ২১ দিনে। আর জরুরি পাসপোর্টের ফি ৬ হাজার ৯০০ টাকা, সরবরাহ করার কথা ৭ দিনে। কিন্তু বাস্তবে কোনো পাসপোর্টই সময়মতো দেওয়া হয় না গ্রাহকদের।

কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষমাণ একাধিক গ্রাহক জানান, দালালদের দৌরাত্ম্য কিংবা পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ নানা কারণে পাসপোর্ট পেতে দেরি হয় তাঁদের। জরুরি পাসপোর্ট দেওয়া হচ্ছে সীমিতসংখ্যক। এতে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়ছেন তাঁরা। 

নড়িয়া উপজেলার নবগ্রামের ইতালি প্রবাসী মোঃ কামাল বলেন , গত ১২ জানুয়ারি আমার পাসপোর্ট রিনু করার জন্য আবেদন করেছি। ২ ফেব্রুয়ারী পাসপোর্ট দেওয়ার কথাছিলো। কয়েক দফা এসেও কোনো সমাধান হচ্ছে না। আবার কবে দিতে পারবে, তা–ও বলছে না। এদিকে সময়মতো চাকরিতে ফিরে যেতে না পারলে বেকায়দায় পড়তে হবে।

পাসপোর্টের বই না থাকার বিষয়টি স্বীকার করে শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-সহকারীপরিচালক শেখ মাহবুর রহমান বলেন, বই সংকট থাকার কারণে কিছুদিন ধরে পাসপোর্ট বিতরণে সমস্যা হচ্ছে। ঢাকার মূল কার্যালয়ে পাসপোর্ট বই প্রিন্ট দেওয়া হয়। আশাকরছি, খুব শিগগ্রই সমস্যাটির সমাধান হয়ে যাবে।’ তিনি বলেন, কারও খুব বেশি জরুরি হলে ৬ হাজার ৯০০ টাকা ব্যাংকে জমাদিয়ে আবেদন করলে একমাসের মধ্যে পাসপোর্ট দেওয়া যায়।

Ads
Ads