নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়াতে নিষিদ্ধ পলিথিনে সয়লাব

  • ৩০-Aug-২০১৮ ০৬:০০ অপরাহ্ন
Ads


দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন, মজুত, সরবরাহ ও বিপণন নিষিদ্ধ। আইনের অমান্য করলে আছে শাস্তির বিধানও। কিন্তু সেই আইনের তোয়াক্কার না করেই রামু উপজেলার বৃহত্তর গর্জনিয়া বাজার, ঈদগড় বাজার, তিতার পাড়া গিরিংগী মার্কেট, দৌছড়ি বাজার, আর নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নাইক্ষ্যংছড়ি বাজার, চাকঢালা বাজার ও বাইশারী বাজারে প্রতিটি অলিতে গলিতে ও বিপনি কেন্দ্র অবাধে বিক্রি ও ব্যবহার হচ্ছে পলিথিন শপিং ব্যাগ।

২০০২ সালে আইন করে পলিথিন নিষিদ্ধের পরের কয়েক বছর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সাম্প্রতিক কয়েক বছরে পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে বেড়েছে পলিথিনের বিক্রি। দামে সস্তা ও সহজলভ্য হওয়ায় বিভিন্ন হোটেল, রেস্টুরেন্ট, মুদির দোকান, কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে ফুটপাতের প্রায় সব দোকানেই ব্যবহৃত হচ্ছে নিষিদ্ধ এ পণ্যটি।পলিথিনের এই অতি ব্যবহারে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের নেই যথাযথ উদ্যোগ।

কতৃপক্ষের এমন উদাসীনতায় উদ্বিগ্ন পরিবেশবিদরা।ক্রেতা-বিক্রেতা সকলের মধ্যেই পণ্যটির ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো দরকার। উল্লেখিত বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগে বাজারগুলো সয়লাব। পলিথিন ব্যাগে করে অধিকাংশ পণ্য-দ্রব্য ভোক্তাদের কাছে তুলে দিচ্ছেন বিক্রেতারা। হোটেল, রেস্টুরেন্ট, মুদির দোকান, কাঁচাবাজার থেকে শুরু করে ফুটপাতের প্রায় সব দোকানের পণ্য বহনে ব্যবহৃত হচ্ছে পলিথিন ব্যাগ।

এছাড়া বাজারের ভিতরেই প্রকাশ্যেই অন্য পণ্যের সঙ্গে পলিথিন ব্যাগও বিক্রি হচ্ছে অনেক দোকানে। রামুর গর্জনিয়া বাজারে পাইকারী পলিথিন বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে বাজারের পশ্চিম মাথা ব্রীজের পাশে মেসার্স জাহাগীর ষ্টোরের মালিক জাহানগীর আলম, জালাল হোটেলের সামনে মোজাফ্ফর স্টোরের মালিক মোজাফ্ফর আহাম্মদ, মাছ বাজারের সামনে ফিরোজ স্টোরের মালিক মোঃ ফিরোজ, কাচাঁ বাজারে মোঃ আজিজ, মেসার্স মোঃ হোসেন স্টোরের মালিক মোঃ হোসেন, মেসার্স বারী স্টোরের মালিক আবদুল বারী সহ মসজিদ গেইটের ইলিয়াস স্টোরের মালিক মোঃ ইলিয়াসের দোকানে পাইকারী হারে পলিথিন বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এলাকার সচেতন মহল ওই সব অবৈধ পলিথিন ব্যাগের বিরুদ্ধে অভিযানের দাবী জানান।এই ব্যাপারে ককসবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক সাইফুল আস্রাব জানান, নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে। আর ওই সব কাজে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরে রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুৎফুর রহমান জানান, উপজেলা প্রশাসন থেকে এই ব্যাপারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এবং জড়িতদের শাস্থির আওতায় আনা হবে।

Ads
Ads