এমপি নয়, সেবক ও বন্ধু হিসাবে জনগণের আস্থায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে জগলুল হায়দার

  • ৮-Sep-২০১৮ ০৬:০০ অপরাহ্ন
Ads

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা-৪ আসনের নির্বাচনী প্রচারণা ও জনপ্রিয়তায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী এস এম জগলুল হায়দার এমপি।

বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলার কারণে নির্বাচনী এলাকায় তার জনপ্রিয়তা অন্য সব প্রার্থীর চেয়ে অনেক বেশি। শ্যামনগর ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে, দলীয় সকল স্তরে তার জনপ্রিয়তা নজিরবিহীন।

গরীব দুঃখী, মেহনতী, ঘরহীন, আলোহীন, মানুষ থেকে শুরু করে, কৃষক, শ্রমিক, সর্বস্তরের মানুষের সাথে তিনি মিশেছেন একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে, এমপি হিসাবে নয়। গরিবের ঘরে আলোর ব্যবস্থা করেছেন একজন এমপি হিসেবে নয়, সাধারণ মানুষ হিসেবে।

লুঙ্গি গামছা পরে শ্রমিকের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা থেকে শুরু করে ভ্যান চালানো, মাঝি হয়ে নৌকা চালানো, ট্রাক্টর চালিয়ে ধান রোপন, কাঁস্তে হাতে ধান কাটা, এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজেই ড্রেন পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে , ঘরহীনের চালে টিন ও সোলার আলোর ব্যবস্থা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে এলাকায় সকল শ্রেনীর মানুষের মধ্যে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা।

নির্বাচনী এলাকার সর্বশেষ দ্বীপ ইউনিয়ন আইলা বিধ্বস্ত গাবুরা থেকে শুরু করে দুর্যোগকালীন সময়ে কালিগঞ্জ ও শ্যামনগরের সকল ইউনিয়নে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাতের আঁধারেও জনগণের সুরক্ষা ও খোঁজ খবর নিতে বেরিয়ে পড়েন এই সাংসদ।

গভীর রাতে বিভিন্ন ছাত্রাবাসের ছাত্রদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার খোঁজ খবর নিতে ও বিভিন্ন বাজার ঘাটে নিরাপত্তায় পর্যবেক্ষণে ছুটে যান তিনি।

বিভিন্ন মিডিয়া জরিপে উঠে এসেছে নির্বাচনী এলাকায় তার জনপ্রিয়তা বিষয়ক তথ্য। সে সকল তথ্য থেকে পরিষ্কার হওয়া যায় তার জনপ্রিয়তা কতোটা এগিয়ে।

সাংসদ জগলুল হায়দার তার নির্বাচনী এলাকায় যে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন তা শুধু তার জনপ্রিয়তা থেকে নয় এলাকায় গেলেই বোঝা যায়। রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ ও নতুন ভবন নির্মাণ, সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে প্রমাণ মেলে তার কর্মযজ্ঞ । যেটা আগে কখনও দেখতে পারেনি শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ বাসি।

নির্বাচনী এলাকায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন ও সফলতা কামনায় করেছেন শতশত উঠান বৈঠক, সেসকল উঠান বৈঠকে মানুষের উপস্থিতি দৃষ্টি কাড়ার মতো। দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশ মেনে সমগ্র বাংলাদেশে তিনিই প্রথমে উঠান শুরু করেছিলেন, যেটি বর্তমানেও অব্যাহত রেখেছেন। দিন কে দিন তার বদান্যতা বেড়েই চলেছে। এক কথায় তার অনুষ্ঠিত যেকোন জনসভা, উঠান বৈঠক বা অন্যান্য সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয় মুহূর্তেই।

২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্যামনগরে আগমন উপলক্ষে শ্যামনগর উপজেলা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। এরপরে আর এমন কোন সমাবেশ দেখা যায়নি শ্যামনগরে।

কিন্তু গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও সফলতা প্রচারে এমপি জগলুল হায়দার আয়োজিত মহাসমাবেশ শ্যামনগর কালিগঞ্জের মানুষকে সেদিনের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। মূহুর্তের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে শ্যামনগরের অনুষ্ঠান স্থল থেকে শুরু করে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরবর্তী এলাকা পর্যন্ত মানুষের তিল ধারনের ঠাঁই ছিলো না।

এছাড়া কিছুদিন আগে দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় তার একটি অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি ঘটেছিলো। মানুষ যে যেভাবে পেরেছে তার অনুষ্ঠান দেখতে ও তার কথা শুনতে ছুটে গিয়েছিল।

বর্তমানে শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ আংশিক সাতক্ষীরা - ৪ নির্বাচনী এলাকায় জনপ্রিয়তায় ব্যাপক এগিয়ে আছেন এমপি জগলুল।

Ads
Ads